শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ

শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে আজ। গত ৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।
দেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের বিচার ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এই মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন ৬ জন। তারা হলেন- রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ।
দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপরই ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শহীদ আবু সাঈদের পরিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ওই বছরের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। সেটি ৩০ জুন আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
পলাতক আসামিদের পক্ষে গত বছর ২২ জুলাই রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে গত বছর ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ মোট ২৫ জন সাক্ষী এই মামলায় সাক্ষ্য দেন। এ বছরের গত ২৫ জানুয়ারি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরবর্তীতে ৫ মার্চ রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষণা হচ্ছে বহুল আলোচিত এ মামলার রায়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে আজ। গত ৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।
দেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের বিচার ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এই মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন ৬ জন। তারা হলেন- রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ।
দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপরই ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শহীদ আবু সাঈদের পরিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ওই বছরের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। সেটি ৩০ জুন আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
পলাতক আসামিদের পক্ষে গত বছর ২২ জুলাই রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে গত বছর ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ মোট ২৫ জন সাক্ষী এই মামলায় সাক্ষ্য দেন। এ বছরের গত ২৫ জানুয়ারি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরবর্তীতে ৫ মার্চ রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষণা হচ্ছে বহুল আলোচিত এ মামলার রায়।

শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে আজ। গত ৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।
দেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের বিচার ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এই মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন ৬ জন। তারা হলেন- রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ।
দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দেওয়া সাঈদের সেই ভিডিওটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপরই ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শহীদ আবু সাঈদের পরিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ওই বছরের ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। সেটি ৩০ জুন আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
পলাতক আসামিদের পক্ষে গত বছর ২২ জুলাই রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে গত বছর ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ মোট ২৫ জন সাক্ষী এই মামলায় সাক্ষ্য দেন। এ বছরের গত ২৫ জানুয়ারি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরবর্তীতে ৫ মার্চ রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষণা হচ্ছে বহুল আলোচিত এ মামলার রায়।



