আগুনে পুড়ে যায় শত শত মূর্তি, স্পেনের ভ্যালেন্সিয়ার এই উৎসবের রহস্য কী?

আগুনে পুড়ে যায় শত শত মূর্তি, স্পেনের ভ্যালেন্সিয়ার এই উৎসবের রহস্য কী?
সিটিজেন ডেস্ক

স্পেনের পূর্বাঞ্চলের শহর ভ্যালেন্সিয়া। প্রতি বছর মার্চ মাসে এই শহরটি এক ভিন্ন রূপ নেয়। দিন-রাত জুড়ে চলে উৎসব, আর শেষ রাতে একে একে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয় বিশাল সব শিল্পকর্ম। আনন্দ, শিল্প, পরিশ্রম– সবই নিমেষে ছাই। তবু কান্না নয়, বরং উল্লাসেই ফেটে পড়ে মানুষ। যেন এই ধ্বংসই নতুন সূচনার প্রতীক। স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া শহরের এই ব্যতিক্রমধর্মী এই উৎসবের নাম ‘লাস ফায়াস’।

এই উৎসব মূলত উদ্যাপিত হয় বসন্তের আগমনকে কেন্দ্র করে। এর শিকড় বহু শতাব্দী পুরোনো। ইতিহাসবিদদের মতে, একসময় স্থানীয় কাঠমিস্ত্রিরা শীত শেষে তাদের কর্মস্থলে ব্যবহৃত অপ্রয়োজনীয় কাঠ ও কাঠের কাঠামো পুড়িয়ে ফেলতেন। সময়ের সঙ্গে সেই সাধারণ প্রথাই ধীরে ধীরে রূপ নেয় বৃহৎ আকারের সাংস্কৃতিক উৎসবে।

প্রতি বছর মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় জুড়ে চলে এই উৎসব। পুরো আয়োজন শুরু হয় কয়েক দিন আগে থেকেই। শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার মানুষ মিলে মাসের পর মাস সময় নিয়ে তৈরি করে বিশাল সব মূর্তি, যেগুলোকে স্থানীয়ভাবে ‘নিনোত’ বলা হয়। কাঠ, কাগজ, ফাইবারসহ নানা উপকরণ দিয়ে তৈরি এসব মূর্তিতে ফুটে ওঠে সমাজের নানা দিক যেমন রাজনীতি, সংস্কৃতি, ব্যঙ্গ কিংবা সমসাময়িক ঘটনা।

উৎসব চলাকালীন প্রতিদিনই থাকে নানা আয়োজন– সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আতশবাজি, প্যারেড এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাকে মানুষের অংশগ্রহণ। দিনভর দর্শনার্থী ও স্থানীয়দের ভিড়ে সরগরম থাকে পুরো শহর।
তবে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু থাকে শেষ রাতের আগুন, যাকে বলা হয় ‘লা ক্রেমা’। ১৯ মার্চের রাতে নির্দিষ্ট সময়ে শহরের প্রতিটি ‘নিনোত’ মূর্তিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিশিখায় মুহূর্তেই পুড়ে যায় বিশাল আকৃতির এসব শিল্পকর্ম। কেবল একটি বিশেষ মূর্তিকে না পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হয়। এই মূর্তিটি জনমত বা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাছাই করা হয়।

স্থানীয়দের কাছে ‘লা ক্রেমা’ কোনো কোনো ধ্বংস নয়, বরং প্রতীকী বিদায়। পুরোনোকে পুড়িয়ে নতুনকে স্বাগত জানানোর এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা বহন করে এই আয়োজন। এতে মানুষের মধ্যে এক ধরনের মানসিক শুদ্ধি ও নতুন করে শুরু করার অনুভূতিও কাজ করে।
বর্তমানে ‘লাস ফায়াস’ শুধু ভ্যালেন্সিয়ার স্থানীয় উৎসব নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্যও এক বড় আকর্ষণ। প্রতিবছর প্রায় কয়েক লাখ মানুষ এই অনন্য আয়োজন দেখতে ভিড় জমান ভ্যালেন্সিয়া শহরে।

স্পেনের পূর্বাঞ্চলের শহর ভ্যালেন্সিয়া। প্রতি বছর মার্চ মাসে এই শহরটি এক ভিন্ন রূপ নেয়। দিন-রাত জুড়ে চলে উৎসব, আর শেষ রাতে একে একে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয় বিশাল সব শিল্পকর্ম। আনন্দ, শিল্প, পরিশ্রম– সবই নিমেষে ছাই। তবু কান্না নয়, বরং উল্লাসেই ফেটে পড়ে মানুষ। যেন এই ধ্বংসই নতুন সূচনার প্রতীক। স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া শহরের এই ব্যতিক্রমধর্মী এই উৎসবের নাম ‘লাস ফায়াস’।

এই উৎসব মূলত উদ্যাপিত হয় বসন্তের আগমনকে কেন্দ্র করে। এর শিকড় বহু শতাব্দী পুরোনো। ইতিহাসবিদদের মতে, একসময় স্থানীয় কাঠমিস্ত্রিরা শীত শেষে তাদের কর্মস্থলে ব্যবহৃত অপ্রয়োজনীয় কাঠ ও কাঠের কাঠামো পুড়িয়ে ফেলতেন। সময়ের সঙ্গে সেই সাধারণ প্রথাই ধীরে ধীরে রূপ নেয় বৃহৎ আকারের সাংস্কৃতিক উৎসবে।

প্রতি বছর মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় জুড়ে চলে এই উৎসব। পুরো আয়োজন শুরু হয় কয়েক দিন আগে থেকেই। শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার মানুষ মিলে মাসের পর মাস সময় নিয়ে তৈরি করে বিশাল সব মূর্তি, যেগুলোকে স্থানীয়ভাবে ‘নিনোত’ বলা হয়। কাঠ, কাগজ, ফাইবারসহ নানা উপকরণ দিয়ে তৈরি এসব মূর্তিতে ফুটে ওঠে সমাজের নানা দিক যেমন রাজনীতি, সংস্কৃতি, ব্যঙ্গ কিংবা সমসাময়িক ঘটনা।

উৎসব চলাকালীন প্রতিদিনই থাকে নানা আয়োজন– সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আতশবাজি, প্যারেড এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাকে মানুষের অংশগ্রহণ। দিনভর দর্শনার্থী ও স্থানীয়দের ভিড়ে সরগরম থাকে পুরো শহর।
তবে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু থাকে শেষ রাতের আগুন, যাকে বলা হয় ‘লা ক্রেমা’। ১৯ মার্চের রাতে নির্দিষ্ট সময়ে শহরের প্রতিটি ‘নিনোত’ মূর্তিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিশিখায় মুহূর্তেই পুড়ে যায় বিশাল আকৃতির এসব শিল্পকর্ম। কেবল একটি বিশেষ মূর্তিকে না পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হয়। এই মূর্তিটি জনমত বা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাছাই করা হয়।

স্থানীয়দের কাছে ‘লা ক্রেমা’ কোনো কোনো ধ্বংস নয়, বরং প্রতীকী বিদায়। পুরোনোকে পুড়িয়ে নতুনকে স্বাগত জানানোর এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা বহন করে এই আয়োজন। এতে মানুষের মধ্যে এক ধরনের মানসিক শুদ্ধি ও নতুন করে শুরু করার অনুভূতিও কাজ করে।
বর্তমানে ‘লাস ফায়াস’ শুধু ভ্যালেন্সিয়ার স্থানীয় উৎসব নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্যও এক বড় আকর্ষণ। প্রতিবছর প্রায় কয়েক লাখ মানুষ এই অনন্য আয়োজন দেখতে ভিড় জমান ভ্যালেন্সিয়া শহরে।

আগুনে পুড়ে যায় শত শত মূর্তি, স্পেনের ভ্যালেন্সিয়ার এই উৎসবের রহস্য কী?
সিটিজেন ডেস্ক

স্পেনের পূর্বাঞ্চলের শহর ভ্যালেন্সিয়া। প্রতি বছর মার্চ মাসে এই শহরটি এক ভিন্ন রূপ নেয়। দিন-রাত জুড়ে চলে উৎসব, আর শেষ রাতে একে একে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয় বিশাল সব শিল্পকর্ম। আনন্দ, শিল্প, পরিশ্রম– সবই নিমেষে ছাই। তবু কান্না নয়, বরং উল্লাসেই ফেটে পড়ে মানুষ। যেন এই ধ্বংসই নতুন সূচনার প্রতীক। স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া শহরের এই ব্যতিক্রমধর্মী এই উৎসবের নাম ‘লাস ফায়াস’।

এই উৎসব মূলত উদ্যাপিত হয় বসন্তের আগমনকে কেন্দ্র করে। এর শিকড় বহু শতাব্দী পুরোনো। ইতিহাসবিদদের মতে, একসময় স্থানীয় কাঠমিস্ত্রিরা শীত শেষে তাদের কর্মস্থলে ব্যবহৃত অপ্রয়োজনীয় কাঠ ও কাঠের কাঠামো পুড়িয়ে ফেলতেন। সময়ের সঙ্গে সেই সাধারণ প্রথাই ধীরে ধীরে রূপ নেয় বৃহৎ আকারের সাংস্কৃতিক উৎসবে।

প্রতি বছর মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় জুড়ে চলে এই উৎসব। পুরো আয়োজন শুরু হয় কয়েক দিন আগে থেকেই। শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার মানুষ মিলে মাসের পর মাস সময় নিয়ে তৈরি করে বিশাল সব মূর্তি, যেগুলোকে স্থানীয়ভাবে ‘নিনোত’ বলা হয়। কাঠ, কাগজ, ফাইবারসহ নানা উপকরণ দিয়ে তৈরি এসব মূর্তিতে ফুটে ওঠে সমাজের নানা দিক যেমন রাজনীতি, সংস্কৃতি, ব্যঙ্গ কিংবা সমসাময়িক ঘটনা।

উৎসব চলাকালীন প্রতিদিনই থাকে নানা আয়োজন– সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আতশবাজি, প্যারেড এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাকে মানুষের অংশগ্রহণ। দিনভর দর্শনার্থী ও স্থানীয়দের ভিড়ে সরগরম থাকে পুরো শহর।
তবে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু থাকে শেষ রাতের আগুন, যাকে বলা হয় ‘লা ক্রেমা’। ১৯ মার্চের রাতে নির্দিষ্ট সময়ে শহরের প্রতিটি ‘নিনোত’ মূর্তিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিশিখায় মুহূর্তেই পুড়ে যায় বিশাল আকৃতির এসব শিল্পকর্ম। কেবল একটি বিশেষ মূর্তিকে না পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হয়। এই মূর্তিটি জনমত বা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাছাই করা হয়।

স্থানীয়দের কাছে ‘লা ক্রেমা’ কোনো কোনো ধ্বংস নয়, বরং প্রতীকী বিদায়। পুরোনোকে পুড়িয়ে নতুনকে স্বাগত জানানোর এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা বহন করে এই আয়োজন। এতে মানুষের মধ্যে এক ধরনের মানসিক শুদ্ধি ও নতুন করে শুরু করার অনুভূতিও কাজ করে।
বর্তমানে ‘লাস ফায়াস’ শুধু ভ্যালেন্সিয়ার স্থানীয় উৎসব নয়, বরং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্যও এক বড় আকর্ষণ। প্রতিবছর প্রায় কয়েক লাখ মানুষ এই অনন্য আয়োজন দেখতে ভিড় জমান ভ্যালেন্সিয়া শহরে।




