শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে
শেরপুর সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সাধারণ নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোট উৎসব চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, কোনো বিরতি ছাড়াই ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেরপুর-৩ আসনের এক প্রার্থীর মৃত্যু হয়। তাই আসনটিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে ইসি। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচন করে জয় লাভ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, তিনি একটি আসন (বগুড়া-৬) ছেড়ে দেন। ফলে শেরপুর- ৩ আসনে আজ সাধারণ নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শেরপুর- ৩
আসনটি মোট তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান।
জেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসনটি একটি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এতে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫ হাজার ৬৬ জন, নারী ২ লাখ ৮ হাজার ৩০৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৭ জন ভোটার রয়েছেন। আর ভোটকেন্দ্র ১২৮টি। ভোট কক্ষ ৭২১টি।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মেনে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন চলাকালে কাজ করছেন ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, ১৪টি র্যাব টিম, ২৬টি মোবাইল টিমসহ ১ হাজার ১৫০ পুলিশ সদস্য, ১ হাজার ৭০৪ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত আছেন।
বগুড়া-৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন প্রার্থী। তারা হলেন- বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) মনোনীত প্রার্থী আল-আমিন তালুকদার (ফুলকপি)।
জেলা নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে ১৫০টি ভোটকেন্দ্র ও ৮৩৫টি ভোটকক্ষে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স, ৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য, র্যাবের ১০ টিম (৭০ জন), পুলিশ ১ হাজার ৩২৭ জন ও আনসার ভিডিপি ১ হাজার ৯৯০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সাধারণ নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোট উৎসব চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, কোনো বিরতি ছাড়াই ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেরপুর-৩ আসনের এক প্রার্থীর মৃত্যু হয়। তাই আসনটিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে ইসি। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচন করে জয় লাভ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, তিনি একটি আসন (বগুড়া-৬) ছেড়ে দেন। ফলে শেরপুর- ৩ আসনে আজ সাধারণ নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শেরপুর- ৩
আসনটি মোট তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান।
জেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসনটি একটি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এতে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫ হাজার ৬৬ জন, নারী ২ লাখ ৮ হাজার ৩০৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৭ জন ভোটার রয়েছেন। আর ভোটকেন্দ্র ১২৮টি। ভোট কক্ষ ৭২১টি।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মেনে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন চলাকালে কাজ করছেন ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, ১৪টি র্যাব টিম, ২৬টি মোবাইল টিমসহ ১ হাজার ১৫০ পুলিশ সদস্য, ১ হাজার ৭০৪ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত আছেন।
বগুড়া-৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন প্রার্থী। তারা হলেন- বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) মনোনীত প্রার্থী আল-আমিন তালুকদার (ফুলকপি)।
জেলা নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে ১৫০টি ভোটকেন্দ্র ও ৮৩৫টি ভোটকক্ষে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স, ৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য, র্যাবের ১০ টিম (৭০ জন), পুলিশ ১ হাজার ৩২৭ জন ও আনসার ভিডিপি ১ হাজার ৯৯০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে
শেরপুর সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সাধারণ নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোট উৎসব চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, কোনো বিরতি ছাড়াই ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেরপুর-৩ আসনের এক প্রার্থীর মৃত্যু হয়। তাই আসনটিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে ইসি। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচন করে জয় লাভ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, তিনি একটি আসন (বগুড়া-৬) ছেড়ে দেন। ফলে শেরপুর- ৩ আসনে আজ সাধারণ নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শেরপুর- ৩
আসনটি মোট তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান।
জেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসনটি একটি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এতে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫ হাজার ৬৬ জন, নারী ২ লাখ ৮ হাজার ৩০৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৭ জন ভোটার রয়েছেন। আর ভোটকেন্দ্র ১২৮টি। ভোট কক্ষ ৭২১টি।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মেনে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন চলাকালে কাজ করছেন ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, ১৪টি র্যাব টিম, ২৬টি মোবাইল টিমসহ ১ হাজার ১৫০ পুলিশ সদস্য, ১ হাজার ৭০৪ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত আছেন।
বগুড়া-৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন প্রার্থী। তারা হলেন- বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) মনোনীত প্রার্থী আল-আমিন তালুকদার (ফুলকপি)।
জেলা নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে ১৫০টি ভোটকেন্দ্র ও ৮৩৫টি ভোটকক্ষে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স, ৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য, র্যাবের ১০ টিম (৭০ জন), পুলিশ ১ হাজার ৩২৭ জন ও আনসার ভিডিপি ১ হাজার ৯৯০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।




