ধূমপানের প্রভাবে মস্তিষ্কে আয়রনের ভারসাম্য নষ্ট, গবেষণায় সতর্কবার্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধূমপানের প্রভাবে মস্তিষ্কে আয়রনের ভারসাম্য নষ্ট, গবেষণায় সতর্কবার্তা
সাবিকুন নাহার রিংকি
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ০০

ধূমপানের ক্ষতি শুধু ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি মস্তিষ্কেও সরাসরি প্রভাব ফেলে। ছবি: সংগৃহীত
ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দাবি, ধূমপান ধীরে ধীরে মানসিক অবনতি ঘটাতে পারে এবং এর পেছনে থাকতে পারে একটি নির্দিষ্ট জৈবিক প্রক্রিয়া।
গবেষণায় বলা হয়েছে যে ধূমপানের ক্ষতি শুধু ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি মস্তিষ্কেও সরাসরি প্রভাব ফেলে। নিকোটিন ফুসফুসের বিশেষ ধরনের কোষ, পালমোনারি নিউরোএন্ডোক্রাইন সেলসকে সক্রিয় করে। এর ফলে ‘এক্সোজোম’ নামে ক্ষুদ্র কণিকা তৈরি হয় যা পরবর্তীতে রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌছে যায়।
এই এক্সোজোমগুলো মস্তিষ্কের আয়রনের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। স্নায়ুকোষ সুস্থ রাখতে আয়রনের ভারসাম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে স্নায়ুকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কোষের শক্তি উৎপাদন কমে যায় এবং পারকিনসনের মতো স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
গবেষণায় বলা হয়েছে যে ধূমপানের ক্ষতি শুধু ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি মস্তিষ্কেও সরাসরি প্রভাব ফেলে। নিকোটিন ফুসফুসের বিশেষ ধরনের কোষ, পালমোনারি নিউরোএন্ডোক্রাইন সেলসকে সক্রিয় করে। এর ফলে ‘এক্সোজোম’ নামে ক্ষুদ্র কণিকা তৈরি হয় যা পরবর্তীতে রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌছে যায়।
এই এক্সোজোমগুলো মস্তিষ্কের আয়রনের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। স্নায়ুকোষ সুস্থ রাখতে আয়রনের ভারসাম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে স্নায়ুকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কোষের শক্তি উৎপাদন কমে যায় এবং পারকিনসনের মতো স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা আগে থেকেই সতর্ক করেছেন, ধূমপান ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, যার মধ্যে আলঝেইমার রোগও রয়েছে। আগের গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, মধ্যবয়সে অতিরিক্ত ধূমপান করলে পরবর্তীতে এসব রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণের বেশি হতে পারে।
এই গবেষণার সহ-লেখক চুই ঝ্যাং জানান, এই গবেষণা ফুসফুস ও মস্তিষ্কের মধ্যে একটি সম্ভাব্য সংযোগকে সামনে এনেছে যেটি কিনা ধূমপানের কারণে সৃষ্ট মানসিক অবনতির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে সহায়ক হতে পারে। এই গবেষণাটি ‘সাইন্স এডভান্সেস’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
তবে গবেষকরা বলেছেন, এই ফলাফল এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। মানুষের ক্ষেত্রে একই প্রক্রিয়া কার্যকর কি না, তা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।
তবে গবেষকরা বলেছেন, এই ফলাফল এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। মানুষের ক্ষেত্রে একই প্রক্রিয়া কার্যকর কি না, তা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।

ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দাবি, ধূমপান ধীরে ধীরে মানসিক অবনতি ঘটাতে পারে এবং এর পেছনে থাকতে পারে একটি নির্দিষ্ট জৈবিক প্রক্রিয়া।
গবেষণায় বলা হয়েছে যে ধূমপানের ক্ষতি শুধু ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি মস্তিষ্কেও সরাসরি প্রভাব ফেলে। নিকোটিন ফুসফুসের বিশেষ ধরনের কোষ, পালমোনারি নিউরোএন্ডোক্রাইন সেলসকে সক্রিয় করে। এর ফলে ‘এক্সোজোম’ নামে ক্ষুদ্র কণিকা তৈরি হয় যা পরবর্তীতে রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌছে যায়।
এই এক্সোজোমগুলো মস্তিষ্কের আয়রনের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। স্নায়ুকোষ সুস্থ রাখতে আয়রনের ভারসাম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে স্নায়ুকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কোষের শক্তি উৎপাদন কমে যায় এবং পারকিনসনের মতো স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
গবেষণায় বলা হয়েছে যে ধূমপানের ক্ষতি শুধু ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি মস্তিষ্কেও সরাসরি প্রভাব ফেলে। নিকোটিন ফুসফুসের বিশেষ ধরনের কোষ, পালমোনারি নিউরোএন্ডোক্রাইন সেলসকে সক্রিয় করে। এর ফলে ‘এক্সোজোম’ নামে ক্ষুদ্র কণিকা তৈরি হয় যা পরবর্তীতে রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌছে যায়।
এই এক্সোজোমগুলো মস্তিষ্কের আয়রনের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। স্নায়ুকোষ সুস্থ রাখতে আয়রনের ভারসাম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে স্নায়ুকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কোষের শক্তি উৎপাদন কমে যায় এবং পারকিনসনের মতো স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা আগে থেকেই সতর্ক করেছেন, ধূমপান ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, যার মধ্যে আলঝেইমার রোগও রয়েছে। আগের গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, মধ্যবয়সে অতিরিক্ত ধূমপান করলে পরবর্তীতে এসব রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণের বেশি হতে পারে।
এই গবেষণার সহ-লেখক চুই ঝ্যাং জানান, এই গবেষণা ফুসফুস ও মস্তিষ্কের মধ্যে একটি সম্ভাব্য সংযোগকে সামনে এনেছে যেটি কিনা ধূমপানের কারণে সৃষ্ট মানসিক অবনতির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে সহায়ক হতে পারে। এই গবেষণাটি ‘সাইন্স এডভান্সেস’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
তবে গবেষকরা বলেছেন, এই ফলাফল এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। মানুষের ক্ষেত্রে একই প্রক্রিয়া কার্যকর কি না, তা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।
তবে গবেষকরা বলেছেন, এই ফলাফল এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। মানুষের ক্ষেত্রে একই প্রক্রিয়া কার্যকর কি না, তা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।

ধূমপানের প্রভাবে মস্তিষ্কে আয়রনের ভারসাম্য নষ্ট, গবেষণায় সতর্কবার্তা
সাবিকুন নাহার রিংকি
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮: ০০

ধূমপানের ক্ষতি শুধু ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি মস্তিষ্কেও সরাসরি প্রভাব ফেলে। ছবি: সংগৃহীত
ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দাবি, ধূমপান ধীরে ধীরে মানসিক অবনতি ঘটাতে পারে এবং এর পেছনে থাকতে পারে একটি নির্দিষ্ট জৈবিক প্রক্রিয়া।
গবেষণায় বলা হয়েছে যে ধূমপানের ক্ষতি শুধু ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি মস্তিষ্কেও সরাসরি প্রভাব ফেলে। নিকোটিন ফুসফুসের বিশেষ ধরনের কোষ, পালমোনারি নিউরোএন্ডোক্রাইন সেলসকে সক্রিয় করে। এর ফলে ‘এক্সোজোম’ নামে ক্ষুদ্র কণিকা তৈরি হয় যা পরবর্তীতে রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌছে যায়।
এই এক্সোজোমগুলো মস্তিষ্কের আয়রনের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। স্নায়ুকোষ সুস্থ রাখতে আয়রনের ভারসাম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে স্নায়ুকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কোষের শক্তি উৎপাদন কমে যায় এবং পারকিনসনের মতো স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
গবেষণায় বলা হয়েছে যে ধূমপানের ক্ষতি শুধু ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি মস্তিষ্কেও সরাসরি প্রভাব ফেলে। নিকোটিন ফুসফুসের বিশেষ ধরনের কোষ, পালমোনারি নিউরোএন্ডোক্রাইন সেলসকে সক্রিয় করে। এর ফলে ‘এক্সোজোম’ নামে ক্ষুদ্র কণিকা তৈরি হয় যা পরবর্তীতে রক্তের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌছে যায়।
এই এক্সোজোমগুলো মস্তিষ্কের আয়রনের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। স্নায়ুকোষ সুস্থ রাখতে আয়রনের ভারসাম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে স্নায়ুকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কোষের শক্তি উৎপাদন কমে যায় এবং পারকিনসনের মতো স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা আগে থেকেই সতর্ক করেছেন, ধূমপান ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, যার মধ্যে আলঝেইমার রোগও রয়েছে। আগের গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, মধ্যবয়সে অতিরিক্ত ধূমপান করলে পরবর্তীতে এসব রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণের বেশি হতে পারে।
এই গবেষণার সহ-লেখক চুই ঝ্যাং জানান, এই গবেষণা ফুসফুস ও মস্তিষ্কের মধ্যে একটি সম্ভাব্য সংযোগকে সামনে এনেছে যেটি কিনা ধূমপানের কারণে সৃষ্ট মানসিক অবনতির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে সহায়ক হতে পারে। এই গবেষণাটি ‘সাইন্স এডভান্সেস’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
তবে গবেষকরা বলেছেন, এই ফলাফল এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। মানুষের ক্ষেত্রে একই প্রক্রিয়া কার্যকর কি না, তা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।
তবে গবেষকরা বলেছেন, এই ফলাফল এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। মানুষের ক্ষেত্রে একই প্রক্রিয়া কার্যকর কি না, তা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।
/এসএনআর/




