এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই: আবু সাঈদের বাবা

এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই: আবু সাঈদের বাবা
রংপুর সংবাদদাতা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। রায় ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরে আবু সাঈদের কবরের পাশে তার বাবা আবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম এ প্রতিক্রিয়া জানান।
মকবুল হোসেন বলেন, ‘রায়ে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক অপরাধীদের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। অনেকে ছাড়া পায়া গেছে, যারা অপরাধী—তাদেরও কড়াভাবে সাজা দেওয়া উচিত ছিল।’
আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা খুশি না। যদি আরও বেশি আসামিকে ফাঁসি দেওয়া হতো, তবেই আমরা খুশি হতাম। এছাড়া আমরা কোনোভাবেই সন্তুষ্ট নই। এই রায়ে আমার অন্তর ভালো হয় নাই, আত্মা ঠান্ডা হয় নাই।’
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ হত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসমির মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।
এছাড়া এ মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্যসহ বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এই মামলায় ৩০ আসামির মধ্যে ২৪ জনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার সময় মামলার ৬ আসামি রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। রায় ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরে আবু সাঈদের কবরের পাশে তার বাবা আবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম এ প্রতিক্রিয়া জানান।
মকবুল হোসেন বলেন, ‘রায়ে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক অপরাধীদের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। অনেকে ছাড়া পায়া গেছে, যারা অপরাধী—তাদেরও কড়াভাবে সাজা দেওয়া উচিত ছিল।’
আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা খুশি না। যদি আরও বেশি আসামিকে ফাঁসি দেওয়া হতো, তবেই আমরা খুশি হতাম। এছাড়া আমরা কোনোভাবেই সন্তুষ্ট নই। এই রায়ে আমার অন্তর ভালো হয় নাই, আত্মা ঠান্ডা হয় নাই।’
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ হত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসমির মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।
এছাড়া এ মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্যসহ বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এই মামলায় ৩০ আসামির মধ্যে ২৪ জনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার সময় মামলার ৬ আসামি রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই: আবু সাঈদের বাবা
রংপুর সংবাদদাতা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। রায় ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরে আবু সাঈদের কবরের পাশে তার বাবা আবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম এ প্রতিক্রিয়া জানান।
মকবুল হোসেন বলেন, ‘রায়ে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক অপরাধীদের ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। অনেকে ছাড়া পায়া গেছে, যারা অপরাধী—তাদেরও কড়াভাবে সাজা দেওয়া উচিত ছিল।’
আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা খুশি না। যদি আরও বেশি আসামিকে ফাঁসি দেওয়া হতো, তবেই আমরা খুশি হতাম। এছাড়া আমরা কোনোভাবেই সন্তুষ্ট নই। এই রায়ে আমার অন্তর ভালো হয় নাই, আত্মা ঠান্ডা হয় নাই।’
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু সাঈদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ হত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসমির মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।
এছাড়া এ মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্যসহ বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এই মামলায় ৩০ আসামির মধ্যে ২৪ জনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার সময় মামলার ৬ আসামি রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।




