পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম হবার পরেও ক্লান্তিবোধ হলে যা করবেন
সিটিজেন ডেস্ক

পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম হবার পরেও ক্লান্তিবোধ হলে যা করবেন
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ১৯

দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করলে তা অবহেলা না করে দ্রুত সচেতন হওয়া জরুরি। ছবি: সংগৃহীত
অনেকেই অভিযোগ করেন রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরও সকালে উঠে ক্লান্তি কাটে না। মুখে থাকে নিস্তেজ ভাব, চুল পড়া কমে না, ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা লেগেই থাকে। বিশ্রাম নেওয়ার পরও শরীরে যেন কাজ করার মতো শক্তি আসে না। এমন উপসর্গগুলোকে অনেকেই অবহেলা করেন, কিন্তু এগুলো কেবল সাধারণ ক্লান্তি নয় বরং শরীরে পুষ্টির ঘাটতির ইঙ্গিতও হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২ এবং আয়রনের ঘাটতি থাকলে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। বর্তমানে শুধু বয়স্ক নয়, তরুণদের মধ্যেও এই ঘাটতি বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। অনেকেই রোদে কম যান, আবার দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় পুষ্টিকর খাবারের পরিবর্তে ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হয়।
ভিটামিন বি১২ শরীরের স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর অভাবে রক্তকণিকার উৎপাদন কমে যেতে পারে এবং স্নায়বিক নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে ভিটামিন ডি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হাড় ও দাঁতকে মজবুত রাখে। এই ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে হরমোনজনিত সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আর আয়রন শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে রক্তস্বল্পতা, দুর্বলতা, ত্বক ও চুলের সমস্যা দেখা দেয়।
তাই সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকতে খাদ্যাভ্যাসে আনতে হবে পরিবর্তন। প্রতিদিনের খাবারে রাখতে হবে সুষম পুষ্টি। আয়রন ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি পূরণে ডাল, শাকসবজি, বাদাম, মাছ, মাংস, ডিম ও ফলমূল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে যারা নিরামিষভোজী, তাদের ক্ষেত্রে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী আমিষ খাবারও অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।
ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট সকালের রোদে থাকা উপকারী। এছাড়া বাজারে পাওয়া যায় এমন ফর্টিফায়েড খাবারও খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে প্রয়োজনে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সামান্য কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমেই শরীরকে রাখা সম্ভব সুস্থ ও প্রাণবন্ত। তাই দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করলে তা অবহেলা না করে দ্রুত সচেতন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

অনেকেই অভিযোগ করেন রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরও সকালে উঠে ক্লান্তি কাটে না। মুখে থাকে নিস্তেজ ভাব, চুল পড়া কমে না, ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা লেগেই থাকে। বিশ্রাম নেওয়ার পরও শরীরে যেন কাজ করার মতো শক্তি আসে না। এমন উপসর্গগুলোকে অনেকেই অবহেলা করেন, কিন্তু এগুলো কেবল সাধারণ ক্লান্তি নয় বরং শরীরে পুষ্টির ঘাটতির ইঙ্গিতও হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২ এবং আয়রনের ঘাটতি থাকলে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। বর্তমানে শুধু বয়স্ক নয়, তরুণদের মধ্যেও এই ঘাটতি বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। অনেকেই রোদে কম যান, আবার দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় পুষ্টিকর খাবারের পরিবর্তে ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হয়।
ভিটামিন বি১২ শরীরের স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর অভাবে রক্তকণিকার উৎপাদন কমে যেতে পারে এবং স্নায়বিক নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে ভিটামিন ডি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হাড় ও দাঁতকে মজবুত রাখে। এই ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে হরমোনজনিত সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আর আয়রন শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে রক্তস্বল্পতা, দুর্বলতা, ত্বক ও চুলের সমস্যা দেখা দেয়।
তাই সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকতে খাদ্যাভ্যাসে আনতে হবে পরিবর্তন। প্রতিদিনের খাবারে রাখতে হবে সুষম পুষ্টি। আয়রন ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি পূরণে ডাল, শাকসবজি, বাদাম, মাছ, মাংস, ডিম ও ফলমূল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে যারা নিরামিষভোজী, তাদের ক্ষেত্রে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী আমিষ খাবারও অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।
ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট সকালের রোদে থাকা উপকারী। এছাড়া বাজারে পাওয়া যায় এমন ফর্টিফায়েড খাবারও খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে প্রয়োজনে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সামান্য কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমেই শরীরকে রাখা সম্ভব সুস্থ ও প্রাণবন্ত। তাই দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করলে তা অবহেলা না করে দ্রুত সচেতন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম হবার পরেও ক্লান্তিবোধ হলে যা করবেন
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ১৯

দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করলে তা অবহেলা না করে দ্রুত সচেতন হওয়া জরুরি। ছবি: সংগৃহীত
অনেকেই অভিযোগ করেন রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরও সকালে উঠে ক্লান্তি কাটে না। মুখে থাকে নিস্তেজ ভাব, চুল পড়া কমে না, ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা লেগেই থাকে। বিশ্রাম নেওয়ার পরও শরীরে যেন কাজ করার মতো শক্তি আসে না। এমন উপসর্গগুলোকে অনেকেই অবহেলা করেন, কিন্তু এগুলো কেবল সাধারণ ক্লান্তি নয় বরং শরীরে পুষ্টির ঘাটতির ইঙ্গিতও হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২ এবং আয়রনের ঘাটতি থাকলে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। বর্তমানে শুধু বয়স্ক নয়, তরুণদের মধ্যেও এই ঘাটতি বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। অনেকেই রোদে কম যান, আবার দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় পুষ্টিকর খাবারের পরিবর্তে ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হয়।
ভিটামিন বি১২ শরীরের স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর অভাবে রক্তকণিকার উৎপাদন কমে যেতে পারে এবং স্নায়বিক নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে ভিটামিন ডি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হাড় ও দাঁতকে মজবুত রাখে। এই ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে হরমোনজনিত সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আর আয়রন শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে রক্তস্বল্পতা, দুর্বলতা, ত্বক ও চুলের সমস্যা দেখা দেয়।
তাই সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকতে খাদ্যাভ্যাসে আনতে হবে পরিবর্তন। প্রতিদিনের খাবারে রাখতে হবে সুষম পুষ্টি। আয়রন ও ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি পূরণে ডাল, শাকসবজি, বাদাম, মাছ, মাংস, ডিম ও ফলমূল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে যারা নিরামিষভোজী, তাদের ক্ষেত্রে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী আমিষ খাবারও অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।
ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট সকালের রোদে থাকা উপকারী। এছাড়া বাজারে পাওয়া যায় এমন ফর্টিফায়েড খাবারও খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে প্রয়োজনে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সামান্য কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমেই শরীরকে রাখা সম্ভব সুস্থ ও প্রাণবন্ত। তাই দীর্ঘদিন ধরে ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করলে তা অবহেলা না করে দ্রুত সচেতন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
/এসএনআর/




