সাময়িক যুদ্ধবিরতি ইরানিদের ঐক্য ও ত্যাগের ফল: পেজেশকিয়ান

সাময়িক যুদ্ধবিরতি ইরানিদের ঐক্য ও ত্যাগের ফল: পেজেশকিয়ান
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে অর্জিত সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে ইরানের একটি বড় সাফল্য ও বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক মাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে তিনি এ অর্জনকে ইরানি জনগণের চেষ্টা, ত্যাগ এবং প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরাধিকারের ফল বলে বর্ণনা করেন। পেজেশকিয়ান বলেন, এ যুদ্ধবিরতি মূলত ইরানের ঘোষিত আদর্শের প্রতিফলন এবং সাধারণ মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের ফসল। তিনি আরও বলেন, আজ থেকে ইরান প্রতিরক্ষা, কূটনীতি কিংবা জনসেবা সব ক্ষেত্রেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে এবং ঐক্যই ইরানের প্রকৃত বিজয়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ডের পর ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল। এর জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিগুলোতে অত্যন্ত শক্তিশালী ও কার্যকর পাল্টা হামলা চালায়, যা আক্রমণকারীদের ব্যাপক সামরিক ও কৌশলগত ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন করে। যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে হামলাকারীরা দ্রুত বিজয়ের আশা করলেও ইরানের জোরালো প্রতিরোধ ও জাতীয় সংহতি তাদের সেই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ করে দেয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের এক সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার আওতায় ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। ইরান এ আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইতোমধ্যে একটি ১০ দফা পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে। প্রস্তাবের মূল শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বুধবার (৮ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে জানায়, এ আগ্রাসন শেষ পর্যন্ত ইরানের জন্য একটি ঐতিহাসিক বিজয়ে পরিণত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত তেহরানের দেওয়া শর্তে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে। তবে ইরান স্পষ্ট করেছে, এ আলোচনা যুদ্ধের সমাপ্তি নয়, বরং এটি কূটনৈতিক ময়দানে লড়াইয়ের একটি নতুন পর্যায় মাত্র এবং ওয়াশিংটনের প্রতি তাদের গভীর অনাস্থা আগের মতোই বহাল রয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে অর্জিত সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে ইরানের একটি বড় সাফল্য ও বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক মাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে তিনি এ অর্জনকে ইরানি জনগণের চেষ্টা, ত্যাগ এবং প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরাধিকারের ফল বলে বর্ণনা করেন। পেজেশকিয়ান বলেন, এ যুদ্ধবিরতি মূলত ইরানের ঘোষিত আদর্শের প্রতিফলন এবং সাধারণ মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের ফসল। তিনি আরও বলেন, আজ থেকে ইরান প্রতিরক্ষা, কূটনীতি কিংবা জনসেবা সব ক্ষেত্রেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে এবং ঐক্যই ইরানের প্রকৃত বিজয়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ডের পর ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল। এর জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিগুলোতে অত্যন্ত শক্তিশালী ও কার্যকর পাল্টা হামলা চালায়, যা আক্রমণকারীদের ব্যাপক সামরিক ও কৌশলগত ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন করে। যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে হামলাকারীরা দ্রুত বিজয়ের আশা করলেও ইরানের জোরালো প্রতিরোধ ও জাতীয় সংহতি তাদের সেই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ করে দেয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের এক সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার আওতায় ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। ইরান এ আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইতোমধ্যে একটি ১০ দফা পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে। প্রস্তাবের মূল শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বুধবার (৮ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে জানায়, এ আগ্রাসন শেষ পর্যন্ত ইরানের জন্য একটি ঐতিহাসিক বিজয়ে পরিণত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত তেহরানের দেওয়া শর্তে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে। তবে ইরান স্পষ্ট করেছে, এ আলোচনা যুদ্ধের সমাপ্তি নয়, বরং এটি কূটনৈতিক ময়দানে লড়াইয়ের একটি নতুন পর্যায় মাত্র এবং ওয়াশিংটনের প্রতি তাদের গভীর অনাস্থা আগের মতোই বহাল রয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

সাময়িক যুদ্ধবিরতি ইরানিদের ঐক্য ও ত্যাগের ফল: পেজেশকিয়ান
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে অর্জিত সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে ইরানের একটি বড় সাফল্য ও বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক মাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে তিনি এ অর্জনকে ইরানি জনগণের চেষ্টা, ত্যাগ এবং প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরাধিকারের ফল বলে বর্ণনা করেন। পেজেশকিয়ান বলেন, এ যুদ্ধবিরতি মূলত ইরানের ঘোষিত আদর্শের প্রতিফলন এবং সাধারণ মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের ফসল। তিনি আরও বলেন, আজ থেকে ইরান প্রতিরক্ষা, কূটনীতি কিংবা জনসেবা সব ক্ষেত্রেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে এবং ঐক্যই ইরানের প্রকৃত বিজয়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ডের পর ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল। এর জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিগুলোতে অত্যন্ত শক্তিশালী ও কার্যকর পাল্টা হামলা চালায়, যা আক্রমণকারীদের ব্যাপক সামরিক ও কৌশলগত ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন করে। যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে হামলাকারীরা দ্রুত বিজয়ের আশা করলেও ইরানের জোরালো প্রতিরোধ ও জাতীয় সংহতি তাদের সেই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ করে দেয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের এক সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার আওতায় ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। ইরান এ আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইতোমধ্যে একটি ১০ দফা পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে। প্রস্তাবের মূল শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল বুধবার (৮ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে জানায়, এ আগ্রাসন শেষ পর্যন্ত ইরানের জন্য একটি ঐতিহাসিক বিজয়ে পরিণত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত তেহরানের দেওয়া শর্তে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে। তবে ইরান স্পষ্ট করেছে, এ আলোচনা যুদ্ধের সমাপ্তি নয়, বরং এটি কূটনৈতিক ময়দানে লড়াইয়ের একটি নতুন পর্যায় মাত্র এবং ওয়াশিংটনের প্রতি তাদের গভীর অনাস্থা আগের মতোই বহাল রয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

দুর্নীতি মামলায় আবার কাঠগড়ায় দাঁড়াচ্ছেন নেতানিয়াহু


