বগুড়া ও শেরপুরে উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী

বগুড়া ও শেরপুরে উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে দুই জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
বগুড়া-৬ আসনে রেজাউল করিম বাদশা এবং শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক রুবেল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। উভয় আসনেই তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী।
এই নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে পোস্টাল ব্যালটসহ মোট ১৫১টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে রেজাউল করিম বাদশা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৫৯ ভোট।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া ৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে পরে তিনি আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনের স্থগিত নির্বাচনে ১২৮টি কেন্দ্র এবং পোস্টাল ব্যালটসহ প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
এই আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ-মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমানও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
অবশ্য শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ঠিক আগে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাসুদুর রহমান।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু জামায়াতের আগের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করেছিল নির্বাচন কমিশন।

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে দুই জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
বগুড়া-৬ আসনে রেজাউল করিম বাদশা এবং শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক রুবেল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। উভয় আসনেই তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী।
এই নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে পোস্টাল ব্যালটসহ মোট ১৫১টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে রেজাউল করিম বাদশা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৫৯ ভোট।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া ৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে পরে তিনি আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনের স্থগিত নির্বাচনে ১২৮টি কেন্দ্র এবং পোস্টাল ব্যালটসহ প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
এই আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ-মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমানও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
অবশ্য শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ঠিক আগে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাসুদুর রহমান।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু জামায়াতের আগের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করেছিল নির্বাচন কমিশন।

বগুড়া ও শেরপুরে উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে দুই জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
বগুড়া-৬ আসনে রেজাউল করিম বাদশা এবং শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক রুবেল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। উভয় আসনেই তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী।
এই নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে পোস্টাল ব্যালটসহ মোট ১৫১টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে রেজাউল করিম বাদশা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৫৯ ভোট।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া ৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে পরে তিনি আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনের স্থগিত নির্বাচনে ১২৮টি কেন্দ্র এবং পোস্টাল ব্যালটসহ প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
এই আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ-মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমানও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
অবশ্য শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ঠিক আগে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাসুদুর রহমান।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু জামায়াতের আগের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করেছিল নির্বাচন কমিশন।




