যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যা: কে এই হিশাম আবুঘরবেহ
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যা: কে এই হিশাম আবুঘরবেহ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ২৩: ২৫

সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহ। ছবি: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের (পুলিশ) কার্যালয়
যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর নিখোঁজ ও পরবর্তীতে মৃত্যুর ঘটনায় হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ নামের ২৬ বছর বয়সী এক মার্কিন তরুণকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই তার নাম যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া আবুঘরবেহ নিহত জামিল আহমেদ লিমনের রুমমেট ছিলেন। লিমন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, আবুঘরবেহ একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা যায়, তিনি ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সেখানে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করেছেন।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়ের বিবৃতিতে তাকে পরিকল্পিতভাবে দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে এটি ‘ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার’ হিসেবে গণ্য হয়।
তদন্তকারীদের দাবি, আবুঘরবেহকে জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকায় লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া আরেক পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি এখনো নিখোঁজ। তিনি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে গবেষণা করছিলেন। যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর দাবি উঠেছে, তবে কর্তৃপক্ষ এখনো তার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, আবুঘরবেহ ও তার ভাইয়ের মধ্যে পারিবারিক সহিংসতার একটি ঘটনা ঘিরে আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল। সেই ঘটনার পর আদালত তাকে ভাইয়ের বাড়িতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। তার বিরুদ্ধে মারধর, জোরপূর্বক আটকে রাখা, প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা, মৃত্যুর তথ্য গোপন এবং মরদেহ সরানোর মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্তে আরও জানা যায়, গত কয়েক বছরে আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। ২০২৩ সালে তাকে দুইবার গ্রেপ্তারও করা হয়, যদিও পরবর্তীতে সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়। পরে তার ভাই আদালতে নতুন করে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন, যা এক পর্যায়ে বাতিল হয়ে যায়।
হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের চিফ ডেপুটি জোসেফ মাউরার বলেন, ‘তদন্তের সময় প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ একত্র করে আমরা সন্দেহভাজনকে মূল ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।’
অন্যদিকে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং পুরো সম্প্রদায়কে নাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি জানান, তদন্ত চলবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি গবেষণার্থীর হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী শিক্ষার্থী সমাজে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর নিখোঁজ ও পরবর্তীতে মৃত্যুর ঘটনায় হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ নামের ২৬ বছর বয়সী এক মার্কিন তরুণকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই তার নাম যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া আবুঘরবেহ নিহত জামিল আহমেদ লিমনের রুমমেট ছিলেন। লিমন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, আবুঘরবেহ একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা যায়, তিনি ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সেখানে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করেছেন।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়ের বিবৃতিতে তাকে পরিকল্পিতভাবে দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে এটি ‘ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার’ হিসেবে গণ্য হয়।
তদন্তকারীদের দাবি, আবুঘরবেহকে জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকায় লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া আরেক পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি এখনো নিখোঁজ। তিনি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে গবেষণা করছিলেন। যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর দাবি উঠেছে, তবে কর্তৃপক্ষ এখনো তার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, আবুঘরবেহ ও তার ভাইয়ের মধ্যে পারিবারিক সহিংসতার একটি ঘটনা ঘিরে আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল। সেই ঘটনার পর আদালত তাকে ভাইয়ের বাড়িতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। তার বিরুদ্ধে মারধর, জোরপূর্বক আটকে রাখা, প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা, মৃত্যুর তথ্য গোপন এবং মরদেহ সরানোর মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্তে আরও জানা যায়, গত কয়েক বছরে আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। ২০২৩ সালে তাকে দুইবার গ্রেপ্তারও করা হয়, যদিও পরবর্তীতে সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়। পরে তার ভাই আদালতে নতুন করে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন, যা এক পর্যায়ে বাতিল হয়ে যায়।
হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের চিফ ডেপুটি জোসেফ মাউরার বলেন, ‘তদন্তের সময় প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ একত্র করে আমরা সন্দেহভাজনকে মূল ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।’
অন্যদিকে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং পুরো সম্প্রদায়কে নাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি জানান, তদন্ত চলবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি গবেষণার্থীর হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী শিক্ষার্থী সমাজে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যা: কে এই হিশাম আবুঘরবেহ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ২৩: ২৫

সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহ। ছবি: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের (পুলিশ) কার্যালয়
যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর নিখোঁজ ও পরবর্তীতে মৃত্যুর ঘটনায় হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ নামের ২৬ বছর বয়সী এক মার্কিন তরুণকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই তার নাম যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া আবুঘরবেহ নিহত জামিল আহমেদ লিমনের রুমমেট ছিলেন। লিমন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, আবুঘরবেহ একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা যায়, তিনি ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সেখানে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করেছেন।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়ের বিবৃতিতে তাকে পরিকল্পিতভাবে দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে এটি ‘ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার’ হিসেবে গণ্য হয়।
তদন্তকারীদের দাবি, আবুঘরবেহকে জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকায় লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া আরেক পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি এখনো নিখোঁজ। তিনি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে গবেষণা করছিলেন। যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর দাবি উঠেছে, তবে কর্তৃপক্ষ এখনো তার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, আবুঘরবেহ ও তার ভাইয়ের মধ্যে পারিবারিক সহিংসতার একটি ঘটনা ঘিরে আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল। সেই ঘটনার পর আদালত তাকে ভাইয়ের বাড়িতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। তার বিরুদ্ধে মারধর, জোরপূর্বক আটকে রাখা, প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা, মৃত্যুর তথ্য গোপন এবং মরদেহ সরানোর মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্তে আরও জানা যায়, গত কয়েক বছরে আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। ২০২৩ সালে তাকে দুইবার গ্রেপ্তারও করা হয়, যদিও পরবর্তীতে সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়। পরে তার ভাই আদালতে নতুন করে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন, যা এক পর্যায়ে বাতিল হয়ে যায়।
হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের চিফ ডেপুটি জোসেফ মাউরার বলেন, ‘তদন্তের সময় প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ একত্র করে আমরা সন্দেহভাজনকে মূল ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।’
অন্যদিকে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং পুরো সম্প্রদায়কে নাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি জানান, তদন্ত চলবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি গবেষণার্থীর হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী শিক্ষার্থী সমাজে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
সূত্র: সিএনএন
/এমআর/



