লেবাননে হামলা করায় যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা নিয়ে শঙ্কা

লেবাননে হামলা করায় যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা নিয়ে শঙ্কা
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা এখনো তীব্র এবং পারস্পরিক আস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় থাকলেও ইসলামাবাদের চলমান আলোচনা সংঘাত কমানোর একটি বিরল সুযোগ এনে দিয়েছে।
বিশ্বনেতারা পাকিস্তানের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করছেন। বিশেষ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এবং সম্ভাব্য বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এড়াতে ভূমিকার জন্য। তবে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে ভেঙে দিতে পারে।
পাকিস্তানি নেতারা বলছেন, লেবানন বিষয়টি এই বৃহত্তর শান্তি সমঝোতার অংশ ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই দাবি অস্বীকার করে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এখন হিজবুল্লাহর ওপর হামলা আরও তীব্র করেছে।
এই মতপার্থক্য সত্ত্বেও পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে, যাতে লেবাননকেও চুক্তির অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এ পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের সামগ্রিক পরিবেশ বেশ গম্ভীর। কারণ লেবানন একটি সম্ভাব্য সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়ে গেছে, যা এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পরিণত করার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে।
পাকিস্তানি বিশ্লেষক ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন এবং সতর্ক করছেন, এতে সাম্প্রতিক অগ্রগতি ভেস্তে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ শুরু হওয়া সাম্প্রতিক সংঘাতের পর বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ছিল লেবাননে সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিন। এদিন দক্ষিণাঞ্চল, বেকা উপত্যকা এবং ঘনবসতিপূর্ণ বৈরুতের কেন্দ্রীয় এলাকাজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে, যার অনেকগুলোই পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই চালানো হয়েছে।
এসব হামলায় ২৫৪ জন নিহত এবং ১১৬৫ জন আহত হয়েছেন। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা এখনো তীব্র এবং পারস্পরিক আস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় থাকলেও ইসলামাবাদের চলমান আলোচনা সংঘাত কমানোর একটি বিরল সুযোগ এনে দিয়েছে।
বিশ্বনেতারা পাকিস্তানের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করছেন। বিশেষ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এবং সম্ভাব্য বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এড়াতে ভূমিকার জন্য। তবে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে ভেঙে দিতে পারে।
পাকিস্তানি নেতারা বলছেন, লেবানন বিষয়টি এই বৃহত্তর শান্তি সমঝোতার অংশ ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই দাবি অস্বীকার করে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এখন হিজবুল্লাহর ওপর হামলা আরও তীব্র করেছে।
এই মতপার্থক্য সত্ত্বেও পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে, যাতে লেবাননকেও চুক্তির অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এ পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের সামগ্রিক পরিবেশ বেশ গম্ভীর। কারণ লেবানন একটি সম্ভাব্য সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়ে গেছে, যা এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পরিণত করার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে।
পাকিস্তানি বিশ্লেষক ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন এবং সতর্ক করছেন, এতে সাম্প্রতিক অগ্রগতি ভেস্তে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ শুরু হওয়া সাম্প্রতিক সংঘাতের পর বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ছিল লেবাননে সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিন। এদিন দক্ষিণাঞ্চল, বেকা উপত্যকা এবং ঘনবসতিপূর্ণ বৈরুতের কেন্দ্রীয় এলাকাজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে, যার অনেকগুলোই পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই চালানো হয়েছে।
এসব হামলায় ২৫৪ জন নিহত এবং ১১৬৫ জন আহত হয়েছেন। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, আল জাজিরা

লেবাননে হামলা করায় যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা নিয়ে শঙ্কা
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা এখনো তীব্র এবং পারস্পরিক আস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় থাকলেও ইসলামাবাদের চলমান আলোচনা সংঘাত কমানোর একটি বিরল সুযোগ এনে দিয়েছে।
বিশ্বনেতারা পাকিস্তানের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করছেন। বিশেষ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এবং সম্ভাব্য বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এড়াতে ভূমিকার জন্য। তবে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে ভেঙে দিতে পারে।
পাকিস্তানি নেতারা বলছেন, লেবানন বিষয়টি এই বৃহত্তর শান্তি সমঝোতার অংশ ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই দাবি অস্বীকার করে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এখন হিজবুল্লাহর ওপর হামলা আরও তীব্র করেছে।
এই মতপার্থক্য সত্ত্বেও পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে, যাতে লেবাননকেও চুক্তির অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এ পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদের সামগ্রিক পরিবেশ বেশ গম্ভীর। কারণ লেবানন একটি সম্ভাব্য সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়ে গেছে, যা এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পরিণত করার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে।
পাকিস্তানি বিশ্লেষক ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন এবং সতর্ক করছেন, এতে সাম্প্রতিক অগ্রগতি ভেস্তে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ শুরু হওয়া সাম্প্রতিক সংঘাতের পর বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ছিল লেবাননে সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিন। এদিন দক্ষিণাঞ্চল, বেকা উপত্যকা এবং ঘনবসতিপূর্ণ বৈরুতের কেন্দ্রীয় এলাকাজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে, যার অনেকগুলোই পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই চালানো হয়েছে।
এসব হামলায় ২৫৪ জন নিহত এবং ১১৬৫ জন আহত হয়েছেন। তবে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, আল জাজিরা




