নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লা সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম থেকে সরকারি প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার একটি ফুটপাত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত বুলেট বৈরাগী কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট বিভাগের একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সম্প্রতি চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১১ এপ্রিল তিনি সরকারি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে চট্টগ্রামে যান। প্রশিক্ষণ শেষে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে তিনি চট্টগ্রামের অলঙ্কার মোড় থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে রওনা দেন। যাত্রাপথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। রাত গভীর হলেও তিনি পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং সর্বশেষ রাত ২টা ২৫ মিনিটে জানান যে, তিনি কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছেছেন।
এরপর থেকেই তার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এতে তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে শনিবার সকালে তার বাবা সুশীল বৈরাগী কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এদিন সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ময়নামতি হাইওয়ে থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সেখানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকার আইরিশ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের পাশের ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরের দিকে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে বুলেট বৈরাগীর মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোমিন জানান, মরদেহে বড় ধরনের আঘাতের সুস্পষ্ট চিহ্ন না থাকলেও মুখমণ্ডলে কিছুটা রক্তাক্ত অবস্থা দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, নিখোঁজের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করা হয়েছিল। পরে মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনরা তা শনাক্ত করেন।

চট্টগ্রাম থেকে সরকারি প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার একটি ফুটপাত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত বুলেট বৈরাগী কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট বিভাগের একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সম্প্রতি চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১১ এপ্রিল তিনি সরকারি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে চট্টগ্রামে যান। প্রশিক্ষণ শেষে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে তিনি চট্টগ্রামের অলঙ্কার মোড় থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে রওনা দেন। যাত্রাপথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। রাত গভীর হলেও তিনি পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং সর্বশেষ রাত ২টা ২৫ মিনিটে জানান যে, তিনি কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছেছেন।
এরপর থেকেই তার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এতে তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে শনিবার সকালে তার বাবা সুশীল বৈরাগী কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এদিন সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ময়নামতি হাইওয়ে থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সেখানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকার আইরিশ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের পাশের ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরের দিকে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে বুলেট বৈরাগীর মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোমিন জানান, মরদেহে বড় ধরনের আঘাতের সুস্পষ্ট চিহ্ন না থাকলেও মুখমণ্ডলে কিছুটা রক্তাক্ত অবস্থা দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, নিখোঁজের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করা হয়েছিল। পরে মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনরা তা শনাক্ত করেন।

নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কাস্টমস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লা সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম থেকে সরকারি প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার একটি ফুটপাত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত বুলেট বৈরাগী কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট বিভাগের একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সম্প্রতি চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১১ এপ্রিল তিনি সরকারি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে চট্টগ্রামে যান। প্রশিক্ষণ শেষে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে তিনি চট্টগ্রামের অলঙ্কার মোড় থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে রওনা দেন। যাত্রাপথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। রাত গভীর হলেও তিনি পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং সর্বশেষ রাত ২টা ২৫ মিনিটে জানান যে, তিনি কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছেছেন।
এরপর থেকেই তার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এতে তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে শনিবার সকালে তার বাবা সুশীল বৈরাগী কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এদিন সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ময়নামতি হাইওয়ে থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সেখানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকার আইরিশ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের পাশের ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরের দিকে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে বুলেট বৈরাগীর মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোমিন জানান, মরদেহে বড় ধরনের আঘাতের সুস্পষ্ট চিহ্ন না থাকলেও মুখমণ্ডলে কিছুটা রক্তাক্ত অবস্থা দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, নিখোঁজের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করা হয়েছিল। পরে মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনরা তা শনাক্ত করেন।




