নেত্রকোনায় জামায়াত এমপির গাড়ি ভাঙচুর

নেত্রকোনায় জামায়াত এমপির গাড়ি ভাঙচুর
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের পূর্বধলার আতকাপাড়া এলাকায় গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মাদরাসার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার পথে গাড়িতে জ্বালানি তেল নিতে আতকাপাড়া পাম্পে থামেন জামায়াতে ইসলামীর এমপি মাছুম মোস্তফা। এ সময় মাগরিবের আজান হলে নামাজ আদায়ের জন্য পাশের মসজিদে যান তিনি। তখন পাম্পে থাকা মাছুম মোস্তফার গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। পরে মসজিদ থেকে বের হলে বিক্ষুব্ধ যুবকেরা মাছুম মোস্তফাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।
ঘটনার সময় ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে হামলাকারীরা সংখ্যায় ২০-২৫ জন হওয়ায় পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। খবর পেয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা পর পূর্বধলা থানা থেকে আরও পুলিশ এসে সংসদ সদস্যকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন।
নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসদ সদস্যকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।
সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি পাম্পে তেল নিতে গিয়েছিলাম। এরপর ২০-২৫ জন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা আমার গাড়ি ভাঙচুর করে আমার ওপর হামলা চালিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় আমার কর্মী-সমর্থকেরা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়। পুলিশ আমাকে উদ্ধার করেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছ ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. বদরুল আমিন।

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের পূর্বধলার আতকাপাড়া এলাকায় গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মাদরাসার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার পথে গাড়িতে জ্বালানি তেল নিতে আতকাপাড়া পাম্পে থামেন জামায়াতে ইসলামীর এমপি মাছুম মোস্তফা। এ সময় মাগরিবের আজান হলে নামাজ আদায়ের জন্য পাশের মসজিদে যান তিনি। তখন পাম্পে থাকা মাছুম মোস্তফার গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। পরে মসজিদ থেকে বের হলে বিক্ষুব্ধ যুবকেরা মাছুম মোস্তফাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।
ঘটনার সময় ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে হামলাকারীরা সংখ্যায় ২০-২৫ জন হওয়ায় পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। খবর পেয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা পর পূর্বধলা থানা থেকে আরও পুলিশ এসে সংসদ সদস্যকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন।
নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসদ সদস্যকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।
সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি পাম্পে তেল নিতে গিয়েছিলাম। এরপর ২০-২৫ জন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা আমার গাড়ি ভাঙচুর করে আমার ওপর হামলা চালিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় আমার কর্মী-সমর্থকেরা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়। পুলিশ আমাকে উদ্ধার করেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছ ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. বদরুল আমিন।

নেত্রকোনায় জামায়াত এমপির গাড়ি ভাঙচুর
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের পূর্বধলার আতকাপাড়া এলাকায় গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মাদরাসার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার পথে গাড়িতে জ্বালানি তেল নিতে আতকাপাড়া পাম্পে থামেন জামায়াতে ইসলামীর এমপি মাছুম মোস্তফা। এ সময় মাগরিবের আজান হলে নামাজ আদায়ের জন্য পাশের মসজিদে যান তিনি। তখন পাম্পে থাকা মাছুম মোস্তফার গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। পরে মসজিদ থেকে বের হলে বিক্ষুব্ধ যুবকেরা মাছুম মোস্তফাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।
ঘটনার সময় ফিলিং স্টেশনের নিরাপত্তায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে হামলাকারীরা সংখ্যায় ২০-২৫ জন হওয়ায় পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। খবর পেয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা পর পূর্বধলা থানা থেকে আরও পুলিশ এসে সংসদ সদস্যকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন।
নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসদ সদস্যকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।
সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি পাম্পে তেল নিতে গিয়েছিলাম। এরপর ২০-২৫ জন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা আমার গাড়ি ভাঙচুর করে আমার ওপর হামলা চালিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় আমার কর্মী-সমর্থকেরা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়। পুলিশ আমাকে উদ্ধার করেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।’
এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছ ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. বদরুল আমিন।

সারাদেশে বৃষ্টির শঙ্কা
অভিনেতা তারিকুজ্জামান তপন মারা গেছেন


