রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরির ঘোষণা বিজিএমইএ সভাপতির

রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরির ঘোষণা বিজিএমইএ সভাপতির
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরির ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। সাভারে রানা প্লাজা ধসের ১৩তম বার্ষিকীতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে ট্র্যাজেডি নিহত শ্রমিকদের কবর জিয়ারত শেষে কথা বলেন তিনি।
এদিন বিজিএমইএর উদ্যোগে রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে ট্র্যাজেডিতে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে শোক র্যালি, শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হয়। জুরাইন কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে নিহত শ্রমিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংগঠনের পরিচালনা পর্ষদ। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে তারা নিহত শ্রমিকদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
মোনাজাত শেষে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘রানা প্লাজার এই দিনটি আমাদের শিল্পের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত শোকাবহ দিন। আইএলওসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সহযোগিতায় আমরা শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থেকেছি এবং এখনো আমাদের সাধ্যমতো তাদের সহায়তা করে যাচ্ছি।’
তিনি ঘোষণা প্রদান করে বলেন, ‘রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কোনো শ্রমিক বা তাদের পরিবারের সদস্য যদি কর্মসংস্থানের সংকটে থাকেন, তবে বিজিএমইএ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের চাকুরির ব্যবস্থা করবে।’ একইসঙ্গে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘রানা প্লাজার মতো একটি মানবিক ট্র্যাজেডিকে কেউ যেন সংকীর্ণ বা অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে।’
শিল্পের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, ‘ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে আমূল ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। আজ আমাদের শিল্প বিশ্বের কাছে নিরাপদ কর্মপরিবেশের একটি রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত। আমরা শ্রমিক ভাই-বোনদের কর্মস্থলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’
শোক দিবসের এই কর্মসূচিতে বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম ও মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক নাফিস- উদ- দৌলা এবং পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরির ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। সাভারে রানা প্লাজা ধসের ১৩তম বার্ষিকীতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে ট্র্যাজেডি নিহত শ্রমিকদের কবর জিয়ারত শেষে কথা বলেন তিনি।
এদিন বিজিএমইএর উদ্যোগে রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে ট্র্যাজেডিতে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে শোক র্যালি, শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হয়। জুরাইন কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে নিহত শ্রমিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংগঠনের পরিচালনা পর্ষদ। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে তারা নিহত শ্রমিকদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
মোনাজাত শেষে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘রানা প্লাজার এই দিনটি আমাদের শিল্পের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত শোকাবহ দিন। আইএলওসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সহযোগিতায় আমরা শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থেকেছি এবং এখনো আমাদের সাধ্যমতো তাদের সহায়তা করে যাচ্ছি।’
তিনি ঘোষণা প্রদান করে বলেন, ‘রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কোনো শ্রমিক বা তাদের পরিবারের সদস্য যদি কর্মসংস্থানের সংকটে থাকেন, তবে বিজিএমইএ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের চাকুরির ব্যবস্থা করবে।’ একইসঙ্গে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘রানা প্লাজার মতো একটি মানবিক ট্র্যাজেডিকে কেউ যেন সংকীর্ণ বা অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে।’
শিল্পের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, ‘ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে আমূল ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। আজ আমাদের শিল্প বিশ্বের কাছে নিরাপদ কর্মপরিবেশের একটি রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত। আমরা শ্রমিক ভাই-বোনদের কর্মস্থলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’
শোক দিবসের এই কর্মসূচিতে বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম ও মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক নাফিস- উদ- দৌলা এবং পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরির ঘোষণা বিজিএমইএ সভাপতির
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরির ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। সাভারে রানা প্লাজা ধসের ১৩তম বার্ষিকীতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে ট্র্যাজেডি নিহত শ্রমিকদের কবর জিয়ারত শেষে কথা বলেন তিনি।
এদিন বিজিএমইএর উদ্যোগে রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে ট্র্যাজেডিতে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে শোক র্যালি, শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হয়। জুরাইন কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে নিহত শ্রমিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংগঠনের পরিচালনা পর্ষদ। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে তারা নিহত শ্রমিকদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
মোনাজাত শেষে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘রানা প্লাজার এই দিনটি আমাদের শিল্পের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত শোকাবহ দিন। আইএলওসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সহযোগিতায় আমরা শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থেকেছি এবং এখনো আমাদের সাধ্যমতো তাদের সহায়তা করে যাচ্ছি।’
তিনি ঘোষণা প্রদান করে বলেন, ‘রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কোনো শ্রমিক বা তাদের পরিবারের সদস্য যদি কর্মসংস্থানের সংকটে থাকেন, তবে বিজিএমইএ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের চাকুরির ব্যবস্থা করবে।’ একইসঙ্গে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘রানা প্লাজার মতো একটি মানবিক ট্র্যাজেডিকে কেউ যেন সংকীর্ণ বা অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে।’
শিল্পের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, ‘ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে আমূল ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। আজ আমাদের শিল্প বিশ্বের কাছে নিরাপদ কর্মপরিবেশের একটি রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত। আমরা শ্রমিক ভাই-বোনদের কর্মস্থলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’
শোক দিবসের এই কর্মসূচিতে বিজিএমইএর সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান, সহসভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম ও মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক নাফিস- উদ- দৌলা এবং পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




