শিরোনাম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আজ, মানতে হবে ১১ নির্দেশনা

সিটিজেন ডেস্ক
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আজ, মানতে হবে ১১ নির্দেশনা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: বিবিসি

সারাদেশে একযোগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আজ। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) বেলা ১১টায় শুরু হবে পরীক্ষা, চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরের নির্বাচিত ১৩৮টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের ১৩৮টি কেন্দ্রে একযোগে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সকাল ১১টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টায় শেষ হবে। ফলাফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী ৮৮০টি কলেজে ৩১টি বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

আসনসংখ্যার দিক থেকে দেখা যায়, চলতি বছর মোট ৪ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৫টি আসনের বিপরীতে ভর্তিযুদ্ধে অংশ নিচ্ছেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ জন শিক্ষার্থী। ৩১টি বিষয়ে ৮৮০টি কলেজে স্নাতকে (সম্মান) শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এর মধ্যে ৩৭৫টি সরকারি কলেজে রয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৫২০টি আসন এবং ৫০৫টি বেসরকারি কলেজে রয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৩৫৫টি আসন।

এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থী ২৪ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে না পারলে প্রাথমিক আবেদন ফরম, এইচএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডসহ এসএমএস–এ প্রেরিত নির্বাচিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। তারা এসএমএসের মাধ্যমে পাওয়া ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর অনুযায়ী কেন্দ্রে উপস্থিত হবেন ও হাজিরাপত্রে স্বাক্ষর করবেন। তবে হাজিরাপত্রের ছবির সঙ্গে প্রাথমিক আবেদন ফরমের ছবি মিল না থাকলে পরীক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। তবে যাদের প্রাথমিক আবেদন ফরম সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নিশ্চিতকরণ এবং প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়নি তারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না।

এদিকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিস্তারিত করণীয় ও নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সেগুলো হলো-

ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে এ-ফোর সাইজের অফসেট কাগজে প্রিন্ট করতে হবে। প্রবেশপত্রের প্রিন্ট কপিতে পরীক্ষার্থী স্বাক্ষর করবেন।

অনলাইনে আবেদন করার সময় আপলোড করা ছবিই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। ওই ছবিতে কোনো প্রকার টেম্পারিং করা হলে পরীক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না।

পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩ দিন আগেই প্রবেশপত্রে উল্লিখিত পরীক্ষাকেন্দ্রে সরাসরি গিয়ে বা সংশ্লিষ্ট কলেজ/কেন্দ্রের ওয়েবসাইট থেকে আসনবিন্যাস জেনে নিতে হবে।

পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত আসনে বসে পরীক্ষা দিতে হবে।

পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১ ঘণ্টা আগে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর কাউকে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

প্রবেশপত্র, হাজিরা এবং ওএমআর শিটে পরীক্ষার্থীর একই স্বাক্ষর থাকতে হবে।

উত্তরপত্রে কালো কালির বল পয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে। কোনোক্রমেই পেনসিল বা মার্কার ব্যবহার করা যাবে না।

ভর্তি পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্র এবং এইচএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড সঙ্গে আনতে হবে।

পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর অথবা কোনো ধরনের ইলেকট্রনিকস ডিভাইস সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না।

পরীক্ষাকক্ষে প্রধান পরিদর্শক/কর্তব্যরত শিক্ষকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

পরীক্ষার উত্তরপত্রে কোনো প্রকার সাংকেতিক চিহ্ন বা মোবাইল নম্বর লেখা হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।

/জেএইচ/