স্বর্ণালংকারের জন্য শাশুড়িকে হত্যা পুত্রবধূর

স্বর্ণালংকারের জন্য শাশুড়িকে হত্যা পুত্রবধূর
গাজীপুর সংবাদদাতা

অর্থ ও স্বর্ণালংকারের জন্য শাশুড়িকে হত্যা করলেন পুত্রবধূ আরিফা আক্তার। এরপর সাজালেন ডাকাতির নাটক। তারপরও রক্ষা পেলেন না তিনি। পুলিশ তাকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে শাশুড়ি আছমা আক্তারকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ আছমা হত্যার তিন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নয়ন কুমার কর।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– নিহতের পুত্রবধূ আরিফা আক্তার, পিরুজালী আলিমপাড়া গ্রামের উজ্জ্বল হোসেন ও একই গ্রামের আলম মিয়ার স্ত্রী শাহনাজ বেগম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে লুট করা ১ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার, ১ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের পিরুজালী (মধ্যপাড়া) গ্রামের আনিছুর রহমানের নিজ বাড়িতে শাশুড়িকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ডাকাতির নাটক সাজায় আরিফা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুজন রঞ্জন তালুকদার বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের পিরুজালী (মধ্যপাড়া) গ্রামের আছমা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ওঠে। রাতের ওই সময়ে বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ ছিল না। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের একমাত্র ছেলে নাজমুল সাকিবের স্ত্রী আরিফা আক্তারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কথাবার্তা ও আচরণে সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে আরিফা আক্তার তার শাশুড়িকে হত্যার কথা স্বীকার করে। ঘটনার সঙ্গে দুই জন জড়িত আছেন বলে জানায়। পরে পুলিশ বুধবার রাতে অপর দুই আসামি উজ্জ্বল হোসেন ও শাহনাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করে।
জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নয়ন কুমার কর বলেন, আছমা আক্তারের স্বামী আনিছুর রহমান তিন জনকে আসামি করে মামলা করেছে। নগদ টাকা এবং তিন ভরি স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশেই তারা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন বলেন, শাহনাজ বেগমের প্ররোচনায় শাশুড়ি আসমা আক্তারকে প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। এরপর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে চালিয়ে দিতে আরিফাকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে অচেতন হওয়ার ভান করে পড়ে থাকতে বলা হয়।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, গতকাল বিকালে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়। আসামি উজ্জ্বল ও আরিফা ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে আদালতের নির্দেশে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।

অর্থ ও স্বর্ণালংকারের জন্য শাশুড়িকে হত্যা করলেন পুত্রবধূ আরিফা আক্তার। এরপর সাজালেন ডাকাতির নাটক। তারপরও রক্ষা পেলেন না তিনি। পুলিশ তাকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে শাশুড়ি আছমা আক্তারকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ আছমা হত্যার তিন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নয়ন কুমার কর।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– নিহতের পুত্রবধূ আরিফা আক্তার, পিরুজালী আলিমপাড়া গ্রামের উজ্জ্বল হোসেন ও একই গ্রামের আলম মিয়ার স্ত্রী শাহনাজ বেগম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে লুট করা ১ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার, ১ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের পিরুজালী (মধ্যপাড়া) গ্রামের আনিছুর রহমানের নিজ বাড়িতে শাশুড়িকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ডাকাতির নাটক সাজায় আরিফা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুজন রঞ্জন তালুকদার বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের পিরুজালী (মধ্যপাড়া) গ্রামের আছমা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ওঠে। রাতের ওই সময়ে বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ ছিল না। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের একমাত্র ছেলে নাজমুল সাকিবের স্ত্রী আরিফা আক্তারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কথাবার্তা ও আচরণে সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে আরিফা আক্তার তার শাশুড়িকে হত্যার কথা স্বীকার করে। ঘটনার সঙ্গে দুই জন জড়িত আছেন বলে জানায়। পরে পুলিশ বুধবার রাতে অপর দুই আসামি উজ্জ্বল হোসেন ও শাহনাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করে।
জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নয়ন কুমার কর বলেন, আছমা আক্তারের স্বামী আনিছুর রহমান তিন জনকে আসামি করে মামলা করেছে। নগদ টাকা এবং তিন ভরি স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশেই তারা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন বলেন, শাহনাজ বেগমের প্ররোচনায় শাশুড়ি আসমা আক্তারকে প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। এরপর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে চালিয়ে দিতে আরিফাকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে অচেতন হওয়ার ভান করে পড়ে থাকতে বলা হয়।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, গতকাল বিকালে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়। আসামি উজ্জ্বল ও আরিফা ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে আদালতের নির্দেশে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।

স্বর্ণালংকারের জন্য শাশুড়িকে হত্যা পুত্রবধূর
গাজীপুর সংবাদদাতা

অর্থ ও স্বর্ণালংকারের জন্য শাশুড়িকে হত্যা করলেন পুত্রবধূ আরিফা আক্তার। এরপর সাজালেন ডাকাতির নাটক। তারপরও রক্ষা পেলেন না তিনি। পুলিশ তাকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে শাশুড়ি আছমা আক্তারকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ আছমা হত্যার তিন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নয়ন কুমার কর।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– নিহতের পুত্রবধূ আরিফা আক্তার, পিরুজালী আলিমপাড়া গ্রামের উজ্জ্বল হোসেন ও একই গ্রামের আলম মিয়ার স্ত্রী শাহনাজ বেগম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে লুট করা ১ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার, ১ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের পিরুজালী (মধ্যপাড়া) গ্রামের আনিছুর রহমানের নিজ বাড়িতে শাশুড়িকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ডাকাতির নাটক সাজায় আরিফা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুজন রঞ্জন তালুকদার বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের পিরুজালী (মধ্যপাড়া) গ্রামের আছমা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ওঠে। রাতের ওই সময়ে বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ ছিল না। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের একমাত্র ছেলে নাজমুল সাকিবের স্ত্রী আরিফা আক্তারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কথাবার্তা ও আচরণে সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে আরিফা আক্তার তার শাশুড়িকে হত্যার কথা স্বীকার করে। ঘটনার সঙ্গে দুই জন জড়িত আছেন বলে জানায়। পরে পুলিশ বুধবার রাতে অপর দুই আসামি উজ্জ্বল হোসেন ও শাহনাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করে।
জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নয়ন কুমার কর বলেন, আছমা আক্তারের স্বামী আনিছুর রহমান তিন জনকে আসামি করে মামলা করেছে। নগদ টাকা এবং তিন ভরি স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশেই তারা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন বলেন, শাহনাজ বেগমের প্ররোচনায় শাশুড়ি আসমা আক্তারকে প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। এরপর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে চালিয়ে দিতে আরিফাকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে অচেতন হওয়ার ভান করে পড়ে থাকতে বলা হয়।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, গতকাল বিকালে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়। আসামি উজ্জ্বল ও আরিফা ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে আদালতের নির্দেশে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।




