এক্সপ্লেইনার
ইরান যুদ্ধে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কতটা বড়
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কতটা বড়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৩৯

জ্বালানি তেলের উর্ধ্বগতি। প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আকারে একবোরেই ছোট নয়, বরং বহু দেশের অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো বড়।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে তার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রেও পড়েছে। সেখানে পেট্রোলের দাম গ্যালন প্রতি ৪ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়া মানে ভোক্তাদের ওপর সরাসরি চাপ বৃদ্ধি। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন, খাদ্য সরবরাহ, এমনকি দৈনন্দিন পণ্যের দামও বেড়ে যায়। ফলে পুরো অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির ঢেউ লাগে।
ইউরোপেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক নেই। বিভিন্ন দেশে শিল্পকারখানাগুলো জ্বালানি রেশনিংয়ের মুখে পড়ছে, অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় কম জ্বালানি পাচ্ছে। এতে উৎপাদন কমে যাচ্ছে, সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হয়ে পড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মাত্র ৫০ দিনে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের তেল উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিমাণ ক্ষতি কতটা বড়—তা বোঝাতে বিশ্লেষকরা তুলনা করছেন এস্তোনিয়া ও লাটভিয়া-এর মতো দেশের মোট অর্থনীতির সঙ্গে। অর্থাৎ, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই একটি পুরো দেশের অর্থনীতির সমান মূল্যমানের জ্বালানি উৎপাদন হারিয়ে গেছে।
এ সংকটের প্রভাব শুধু উন্নত দেশেই সীমাবদ্ধ নয়। উদীয়মান অর্থনীতিগুলো যারা আমদানিনির্ভর—তারা আরও বেশি চাপে পড়ছে। কারণ তাদের বৈদেশিক মুদ্রা খরচ বেড়ে যাচ্ছে, মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখাই কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সব মিলিয়ে, এই জ্বালানি সংকট শুধু একটি আঞ্চলিক যুদ্ধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়; এটি এখন বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আকারে একবোরেই ছোট নয়, বরং বহু দেশের অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো বড়।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে তার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রেও পড়েছে। সেখানে পেট্রোলের দাম গ্যালন প্রতি ৪ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়া মানে ভোক্তাদের ওপর সরাসরি চাপ বৃদ্ধি। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন, খাদ্য সরবরাহ, এমনকি দৈনন্দিন পণ্যের দামও বেড়ে যায়। ফলে পুরো অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির ঢেউ লাগে।
ইউরোপেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক নেই। বিভিন্ন দেশে শিল্পকারখানাগুলো জ্বালানি রেশনিংয়ের মুখে পড়ছে, অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় কম জ্বালানি পাচ্ছে। এতে উৎপাদন কমে যাচ্ছে, সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হয়ে পড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মাত্র ৫০ দিনে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের তেল উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিমাণ ক্ষতি কতটা বড়—তা বোঝাতে বিশ্লেষকরা তুলনা করছেন এস্তোনিয়া ও লাটভিয়া-এর মতো দেশের মোট অর্থনীতির সঙ্গে। অর্থাৎ, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই একটি পুরো দেশের অর্থনীতির সমান মূল্যমানের জ্বালানি উৎপাদন হারিয়ে গেছে।
এ সংকটের প্রভাব শুধু উন্নত দেশেই সীমাবদ্ধ নয়। উদীয়মান অর্থনীতিগুলো যারা আমদানিনির্ভর—তারা আরও বেশি চাপে পড়ছে। কারণ তাদের বৈদেশিক মুদ্রা খরচ বেড়ে যাচ্ছে, মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখাই কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সব মিলিয়ে, এই জ্বালানি সংকট শুধু একটি আঞ্চলিক যুদ্ধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়; এটি এখন বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান যুদ্ধে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কতটা বড়
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৩৯

জ্বালানি তেলের উর্ধ্বগতি। প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আকারে একবোরেই ছোট নয়, বরং বহু দেশের অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দেওয়ার মতো বড়।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে তার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রেও পড়েছে। সেখানে পেট্রোলের দাম গ্যালন প্রতি ৪ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়া মানে ভোক্তাদের ওপর সরাসরি চাপ বৃদ্ধি। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন, খাদ্য সরবরাহ, এমনকি দৈনন্দিন পণ্যের দামও বেড়ে যায়। ফলে পুরো অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির ঢেউ লাগে।
ইউরোপেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক নেই। বিভিন্ন দেশে শিল্পকারখানাগুলো জ্বালানি রেশনিংয়ের মুখে পড়ছে, অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় কম জ্বালানি পাচ্ছে। এতে উৎপাদন কমে যাচ্ছে, সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হয়ে পড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মাত্র ৫০ দিনে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের তেল উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিমাণ ক্ষতি কতটা বড়—তা বোঝাতে বিশ্লেষকরা তুলনা করছেন এস্তোনিয়া ও লাটভিয়া-এর মতো দেশের মোট অর্থনীতির সঙ্গে। অর্থাৎ, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই একটি পুরো দেশের অর্থনীতির সমান মূল্যমানের জ্বালানি উৎপাদন হারিয়ে গেছে।
এ সংকটের প্রভাব শুধু উন্নত দেশেই সীমাবদ্ধ নয়। উদীয়মান অর্থনীতিগুলো যারা আমদানিনির্ভর—তারা আরও বেশি চাপে পড়ছে। কারণ তাদের বৈদেশিক মুদ্রা খরচ বেড়ে যাচ্ছে, মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখাই কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সব মিলিয়ে, এই জ্বালানি সংকট শুধু একটি আঞ্চলিক যুদ্ধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়; এটি এখন বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




