হজমশক্তি বাড়াতে মাটি খাচ্ছে বানর

হজমশক্তি বাড়াতে মাটি খাচ্ছে বানর
সিটিজেন ডেস্ক

পর্যটকদের দেওয়া চিপস, চকোলেট আর আইসক্রিমের স্বাদ ভুলতে পারছে না যুক্তরাজ্যের জিব্রাল্টারের বিখ্যাত বারবারি ম্যাকাও বানররা। কিন্তু এই জাঙ্ক ফুড তাদের শরীরে তৈরি করছে হজমজনিত সমস্যা। আর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত মাটি খাচ্ছে জিব্রাল্টারের বানররা।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি বানরদের নিজেদের সুস্থ রাখার এক প্রাকৃতিক ও সামাজিক কৌশল।
পর্যটকদের দেওয়া খাবারে প্রচুর চিনি, লবণ, ক্যালরি এবং দুগ্ধজাত উপাদান থাকে, যা বন্য বানরদের পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া, বমি ভাব এবং ডায়রিয়া তৈরি করে। মাটি পাকস্থলীর দেওয়ালে একটি সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। যা বিষাক্ত উপাদান শোষণে বাধা দেয় এবং খনিজ সরবরাহ করে অস্বস্তি কমায়।
গবেষক ড. সিলভাইন লেমোইন বলেন, ছুটির মৌসুমে যখন পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ে, তখন বানরদের মধ্যে মাটি খাওয়ার প্রবণতাও অনেক গুণ বেড়ে যায়। এমনকি অনেক বানরকে আইসক্রিম বা বিস্কুট খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই মাটি খেতে দেখা গেছে।
মজার বিষয় হলো, এই অভ্যাসটি বানররা একে অপরের কাছ থেকে শিখছে। বিভিন্ন দলের মধ্যে মাটির ভিন্ন ভিন্ন পছন্দের ধরন দেখে গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, এটি একটি সাংস্কৃতিক শিক্ষা।
বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, বর্তমানে এই বানরদের মোট খাদ্যের প্রায় ২০ শতাংশই হলো পর্যটকদের ফেলে দেওয়া জাঙ্ক ফুড। যদিও স্থানীয় প্রশাসন তাদের নিয়মিত শাকসবজি ও ফল সরবরাহ করে, তবুও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারের আসক্তি তাদের প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাস নষ্ট করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের সান্নিধ্য কীভাবে বন্যপ্রাণীর বিবর্তন ও আচরণ বদলে দিচ্ছে, এটি তার এক বড় উদাহরণ। দীর্ঘমেয়াদে এই অভ্যাস তাদের স্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি হতে পারে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে জিব্রাল্টারের রক এলাকায় প্রায় ২৩০টি বানর বসবাস করছে। গবেষকরা ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের পর এই মাটি খাওয়ার বিষয়টি নথিভুক্ত করেছেন। পর্যটকদের বন্যপ্রাণীদের খাবার না দেওয়ার জন্য কড়া নির্দেশনা থাকলেও, এই আসক্তি নিয়ন্ত্রণে আনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: স্কাই নিউজ

পর্যটকদের দেওয়া চিপস, চকোলেট আর আইসক্রিমের স্বাদ ভুলতে পারছে না যুক্তরাজ্যের জিব্রাল্টারের বিখ্যাত বারবারি ম্যাকাও বানররা। কিন্তু এই জাঙ্ক ফুড তাদের শরীরে তৈরি করছে হজমজনিত সমস্যা। আর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত মাটি খাচ্ছে জিব্রাল্টারের বানররা।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি বানরদের নিজেদের সুস্থ রাখার এক প্রাকৃতিক ও সামাজিক কৌশল।
পর্যটকদের দেওয়া খাবারে প্রচুর চিনি, লবণ, ক্যালরি এবং দুগ্ধজাত উপাদান থাকে, যা বন্য বানরদের পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া, বমি ভাব এবং ডায়রিয়া তৈরি করে। মাটি পাকস্থলীর দেওয়ালে একটি সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। যা বিষাক্ত উপাদান শোষণে বাধা দেয় এবং খনিজ সরবরাহ করে অস্বস্তি কমায়।
গবেষক ড. সিলভাইন লেমোইন বলেন, ছুটির মৌসুমে যখন পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ে, তখন বানরদের মধ্যে মাটি খাওয়ার প্রবণতাও অনেক গুণ বেড়ে যায়। এমনকি অনেক বানরকে আইসক্রিম বা বিস্কুট খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই মাটি খেতে দেখা গেছে।
মজার বিষয় হলো, এই অভ্যাসটি বানররা একে অপরের কাছ থেকে শিখছে। বিভিন্ন দলের মধ্যে মাটির ভিন্ন ভিন্ন পছন্দের ধরন দেখে গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, এটি একটি সাংস্কৃতিক শিক্ষা।
বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, বর্তমানে এই বানরদের মোট খাদ্যের প্রায় ২০ শতাংশই হলো পর্যটকদের ফেলে দেওয়া জাঙ্ক ফুড। যদিও স্থানীয় প্রশাসন তাদের নিয়মিত শাকসবজি ও ফল সরবরাহ করে, তবুও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারের আসক্তি তাদের প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাস নষ্ট করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের সান্নিধ্য কীভাবে বন্যপ্রাণীর বিবর্তন ও আচরণ বদলে দিচ্ছে, এটি তার এক বড় উদাহরণ। দীর্ঘমেয়াদে এই অভ্যাস তাদের স্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি হতে পারে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে জিব্রাল্টারের রক এলাকায় প্রায় ২৩০টি বানর বসবাস করছে। গবেষকরা ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের পর এই মাটি খাওয়ার বিষয়টি নথিভুক্ত করেছেন। পর্যটকদের বন্যপ্রাণীদের খাবার না দেওয়ার জন্য কড়া নির্দেশনা থাকলেও, এই আসক্তি নিয়ন্ত্রণে আনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: স্কাই নিউজ

হজমশক্তি বাড়াতে মাটি খাচ্ছে বানর
সিটিজেন ডেস্ক

পর্যটকদের দেওয়া চিপস, চকোলেট আর আইসক্রিমের স্বাদ ভুলতে পারছে না যুক্তরাজ্যের জিব্রাল্টারের বিখ্যাত বারবারি ম্যাকাও বানররা। কিন্তু এই জাঙ্ক ফুড তাদের শরীরে তৈরি করছে হজমজনিত সমস্যা। আর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত মাটি খাচ্ছে জিব্রাল্টারের বানররা।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি বানরদের নিজেদের সুস্থ রাখার এক প্রাকৃতিক ও সামাজিক কৌশল।
পর্যটকদের দেওয়া খাবারে প্রচুর চিনি, লবণ, ক্যালরি এবং দুগ্ধজাত উপাদান থাকে, যা বন্য বানরদের পাকস্থলীতে জ্বালাপোড়া, বমি ভাব এবং ডায়রিয়া তৈরি করে। মাটি পাকস্থলীর দেওয়ালে একটি সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। যা বিষাক্ত উপাদান শোষণে বাধা দেয় এবং খনিজ সরবরাহ করে অস্বস্তি কমায়।
গবেষক ড. সিলভাইন লেমোইন বলেন, ছুটির মৌসুমে যখন পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ে, তখন বানরদের মধ্যে মাটি খাওয়ার প্রবণতাও অনেক গুণ বেড়ে যায়। এমনকি অনেক বানরকে আইসক্রিম বা বিস্কুট খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই মাটি খেতে দেখা গেছে।
মজার বিষয় হলো, এই অভ্যাসটি বানররা একে অপরের কাছ থেকে শিখছে। বিভিন্ন দলের মধ্যে মাটির ভিন্ন ভিন্ন পছন্দের ধরন দেখে গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, এটি একটি সাংস্কৃতিক শিক্ষা।
বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, বর্তমানে এই বানরদের মোট খাদ্যের প্রায় ২০ শতাংশই হলো পর্যটকদের ফেলে দেওয়া জাঙ্ক ফুড। যদিও স্থানীয় প্রশাসন তাদের নিয়মিত শাকসবজি ও ফল সরবরাহ করে, তবুও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারের আসক্তি তাদের প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাস নষ্ট করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের সান্নিধ্য কীভাবে বন্যপ্রাণীর বিবর্তন ও আচরণ বদলে দিচ্ছে, এটি তার এক বড় উদাহরণ। দীর্ঘমেয়াদে এই অভ্যাস তাদের স্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি হতে পারে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে জিব্রাল্টারের রক এলাকায় প্রায় ২৩০টি বানর বসবাস করছে। গবেষকরা ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের পর এই মাটি খাওয়ার বিষয়টি নথিভুক্ত করেছেন। পর্যটকদের বন্যপ্রাণীদের খাবার না দেওয়ার জন্য কড়া নির্দেশনা থাকলেও, এই আসক্তি নিয়ন্ত্রণে আনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: স্কাই নিউজ




