হরমুজে জব্দকৃত ২ জাহাজের বিস্তারিত তথ্য দিলো আইআরজিসি
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজে জব্দকৃত ২ জাহাজের বিস্তারিত তথ্য দিলো আইআরজিসি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ৩৭

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতার সন্দেহে এপামিনোন্ডাস ও এমএসসি-ফ্রান্সেসকা নামক দুটি কন্টেইনার জাহাজ আটক করে বুধবার (২২ এপ্রিল) নিজেদের জলসীমায় নিয়ে যায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। শনিবার (২৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে বাহিনীটি ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ এপামিনোন্ডাস ভারতের মুন্দ্রা বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। সর্বশেষ দুই দিন আগে হরমুজ প্রণালির পূর্বে ইরানের লারাক দ্বীপের কাছে জাহাজটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। রেকর্ডকৃত তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১১টি ভিন্ন মার্কিন বন্দরে ৩৬ বার যাত্রাবিরতি করে এবং সেখানে প্রায় ২ লাখ ৯৯ হাজার টন কার্গো খালাস করে।
আইআরজিসির দাবি, জাহাজ দুটি কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই চলাচল করছিল এবং বারবার নিয়ম লঙ্ঘন করছিল। নেভিগেশন বা দিকনির্দেশনা সিস্টেমে কারচুপি করে গোপনে প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করে তারা সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলেছিল। এ কারণেই কার্গো ও নথিপত্র পরিদর্শনের জন্য জাহাজ দুটিকে ইরানের জলসীমায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।
যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর অবৈধ অবরোধ বজায় রাখার প্রতিবাদে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝেই এ আটকের ঘটনা ঘটলো। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও ইরানের ওপর এ অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এর কড়া প্রতিক্রিয়ায় ইরান জানিয়েছে, মার্কিন অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তারা হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে না এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন করে কোনো আলোচনাতেও বসবে না।
সূত্র: প্রেসটিভি

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতার সন্দেহে এপামিনোন্ডাস ও এমএসসি-ফ্রান্সেসকা নামক দুটি কন্টেইনার জাহাজ আটক করে বুধবার (২২ এপ্রিল) নিজেদের জলসীমায় নিয়ে যায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। শনিবার (২৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে বাহিনীটি ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ এপামিনোন্ডাস ভারতের মুন্দ্রা বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। সর্বশেষ দুই দিন আগে হরমুজ প্রণালির পূর্বে ইরানের লারাক দ্বীপের কাছে জাহাজটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। রেকর্ডকৃত তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১১টি ভিন্ন মার্কিন বন্দরে ৩৬ বার যাত্রাবিরতি করে এবং সেখানে প্রায় ২ লাখ ৯৯ হাজার টন কার্গো খালাস করে।
আইআরজিসির দাবি, জাহাজ দুটি কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই চলাচল করছিল এবং বারবার নিয়ম লঙ্ঘন করছিল। নেভিগেশন বা দিকনির্দেশনা সিস্টেমে কারচুপি করে গোপনে প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করে তারা সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলেছিল। এ কারণেই কার্গো ও নথিপত্র পরিদর্শনের জন্য জাহাজ দুটিকে ইরানের জলসীমায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।
যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর অবৈধ অবরোধ বজায় রাখার প্রতিবাদে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝেই এ আটকের ঘটনা ঘটলো। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও ইরানের ওপর এ অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এর কড়া প্রতিক্রিয়ায় ইরান জানিয়েছে, মার্কিন অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তারা হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে না এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন করে কোনো আলোচনাতেও বসবে না।
সূত্র: প্রেসটিভি

হরমুজে জব্দকৃত ২ জাহাজের বিস্তারিত তথ্য দিলো আইআরজিসি
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ৩৭

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতার সন্দেহে এপামিনোন্ডাস ও এমএসসি-ফ্রান্সেসকা নামক দুটি কন্টেইনার জাহাজ আটক করে বুধবার (২২ এপ্রিল) নিজেদের জলসীমায় নিয়ে যায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। শনিবার (২৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে বাহিনীটি ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ এপামিনোন্ডাস ভারতের মুন্দ্রা বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। সর্বশেষ দুই দিন আগে হরমুজ প্রণালির পূর্বে ইরানের লারাক দ্বীপের কাছে জাহাজটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। রেকর্ডকৃত তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১১টি ভিন্ন মার্কিন বন্দরে ৩৬ বার যাত্রাবিরতি করে এবং সেখানে প্রায় ২ লাখ ৯৯ হাজার টন কার্গো খালাস করে।
আইআরজিসির দাবি, জাহাজ দুটি কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই চলাচল করছিল এবং বারবার নিয়ম লঙ্ঘন করছিল। নেভিগেশন বা দিকনির্দেশনা সিস্টেমে কারচুপি করে গোপনে প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করে তারা সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলেছিল। এ কারণেই কার্গো ও নথিপত্র পরিদর্শনের জন্য জাহাজ দুটিকে ইরানের জলসীমায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।
যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর অবৈধ অবরোধ বজায় রাখার প্রতিবাদে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝেই এ আটকের ঘটনা ঘটলো। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও ইরানের ওপর এ অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এর কড়া প্রতিক্রিয়ায় ইরান জানিয়েছে, মার্কিন অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তারা হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে না এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন করে কোনো আলোচনাতেও বসবে না।
সূত্র: প্রেসটিভি
/এমএকে/




