ইরান সংশ্লিষ্ট ৩৪৪ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান সংশ্লিষ্ট ৩৪৪ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩৪৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ করেছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এ পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে প্রবল চাপ সৃষ্টি করা এবং দেশটির আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের সক্ষমতাকে সরাসরি দুর্বল করে দেওয়া। বিবৃতিতে তিনি বলেন, তেহরান যে অর্থ অবৈধভাবে দেশের বাইরে সরানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র তা কঠোরভাবে নজরদারি করবে এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের আর্থিক লাইফলাইনকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এ পদক্ষেপটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশলেরই একটি অংশ। এর মাধ্যমে ইরানকে বিশ্বব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থা ও তহবিল স্থানান্তর থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ইরান ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বিকল্প পথ হিসেবে বেছে নিয়েছে, আর ঠিক সেই কারণেই এ খাতটি এখন ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ের নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক অস্ত্র ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অভিযোগ তুলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ অভিযানে সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক অবকাঠামোতেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দীর্ঘ সংঘাতের পর ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় উভয় পক্ষ।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩৪৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ করেছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এ পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে প্রবল চাপ সৃষ্টি করা এবং দেশটির আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের সক্ষমতাকে সরাসরি দুর্বল করে দেওয়া। বিবৃতিতে তিনি বলেন, তেহরান যে অর্থ অবৈধভাবে দেশের বাইরে সরানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র তা কঠোরভাবে নজরদারি করবে এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের আর্থিক লাইফলাইনকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এ পদক্ষেপটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশলেরই একটি অংশ। এর মাধ্যমে ইরানকে বিশ্বব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থা ও তহবিল স্থানান্তর থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ইরান ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বিকল্প পথ হিসেবে বেছে নিয়েছে, আর ঠিক সেই কারণেই এ খাতটি এখন ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ের নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক অস্ত্র ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অভিযোগ তুলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ অভিযানে সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক অবকাঠামোতেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দীর্ঘ সংঘাতের পর ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় উভয় পক্ষ।
সূত্র: রয়টার্স

ইরান সংশ্লিষ্ট ৩৪৪ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩৪৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ করেছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এ পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে প্রবল চাপ সৃষ্টি করা এবং দেশটির আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের সক্ষমতাকে সরাসরি দুর্বল করে দেওয়া। বিবৃতিতে তিনি বলেন, তেহরান যে অর্থ অবৈধভাবে দেশের বাইরে সরানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র তা কঠোরভাবে নজরদারি করবে এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের আর্থিক লাইফলাইনকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এ পদক্ষেপটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশলেরই একটি অংশ। এর মাধ্যমে ইরানকে বিশ্বব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থা ও তহবিল স্থানান্তর থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ইরান ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বিকল্প পথ হিসেবে বেছে নিয়েছে, আর ঠিক সেই কারণেই এ খাতটি এখন ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ের নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক অস্ত্র ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অভিযোগ তুলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ অভিযানে সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক অবকাঠামোতেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দীর্ঘ সংঘাতের পর ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় উভয় পক্ষ।
সূত্র: রয়টার্স




